1. [email protected] : admin : jashim sarkar
  2. [email protected] : admin_naim :
  3. [email protected] : admin_pial :
  4. [email protected] : admin : admin
  5. [email protected] : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. [email protected] : Saidul Islam : Saidul Islam
অপহরণের দুই মাস, উদ্ধারে পুলিশের গড়িমসি - |ভিন্নবার্তা

অপহরণের দুই মাস, উদ্ধারে পুলিশের গড়িমসি

vinnabarta.com
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২০, ০৪:২৮ pm

প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ঠাকুরগাঁও সরকারি পলিটেকনিক কলেজের কম্পিউটার টেকনোলোজি শাখার এক শিক্ষার্থীকে অপহরণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এমন ঘটনায় এলাকায় চাপা ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর পিতা তরিকুল ইসলাম পারভেজ-এর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো চারজনকে আসামি করে রুহিয়া থানায় একটি অপহরণ মামলা দায়ের করলেও আসামি ধরার বিষয়ে কোনো গুরুত্ব দিচ্ছে না পুলিশ। এদিকে অপহরণের দীর্ঘ দুই মাস পেরিয়ে গেলেও মেয়েকে না পেয়ে দুশ্চিন্তা ও নিরাপত্তাহীনতায় জীবনযাপন করছে পরিবারটি। আর এ বিষয়ে অভিযান অব্যাহত রয়েছে- খুব শিগগিরই আসামিকে আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানান পুলিশের কর্মকর্তারা।

গত ২৭ জুন দুপুরের ঘটনা, এর মধ্যে পেরিয়ে গেছে দুই মাস। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রুহিয়া থানার আরাজী দক্ষিণ বঠিনা গ্রামের পশু চিকিৎসক অনন্ত কুমার বর্মনের কন্যা সোনালী রাণী রায় (১৯) কে নিজবাড়ি থেকে অপহরণ করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার পার্বতীপুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত তোজাম্মেল হকের ছেলে তরিকুল ইসলাম পারভেজের বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ঘটনার দুই দিন পর ২৯ জুন সোনালীর বাবা রুহিয়া থানায় তরিকুল ইসলাম পারভেজসহ অজ্ঞাতনামা আরো চারজনের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো তৎপরতা নেই পুলিশের।

অনন্ত কুমার বর্মন অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে বিভিন্ন সময় প্রেম ও অন্যান্য কুপ্রস্তাব দিত একই কলেজের (সরকারি পলিটেকনিক) রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ারকন্ডিশনিং টেকনোলজি শাখার শিক্ষার্থী তরিকুল ইসলাম। এমন প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ও বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে কৌশলে তার মেয়েকে (সোনালীকে) প্রলোভন দেখিয়ে নিজ বাড়ি থেকে মাইক্রোবাসে করে অপহরণ করে তরিকুল ও তার সহযোগীরা। ঘটনার পর মেয়েকে বাড়িতে না পেয়ে নিজ গ্রামে ও আত্মীয়-স্বজনের কাছে অনেক খোঁজাখুঁজি করেন তারা। কিন্তু কোথাও মেয়েকে পাওয়া যায়নি। এভাবে দুই দিনেও তাকে কোথাও না পেয়ে রুহিয়া থানায় একটি অভিযোগ দেন তারা। তবে মামলার দুই মাস অতিক্রান্ত হলেও বিষয়টি নিয়ে কোনো গুরুত্বই দিচ্ছে না পুলিশ।

মা ছায়া রাণী রায় জানান, তার মেয়েকে কলেজ যাওয়া আসার পথে প্রায়ই বিরক্ত করত তরিকুল ও তার সহযোগীরা। বিভিন্ন সময় তরিকুল মেয়েকে প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিত। একপর্যায়ে অতিষ্ঠ হয়ে মেয়ে তাকে তরিকুলের হয়রানির কথা সব খুলে বলে। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে ও লোকলজ্জা এবং বদনামের ভয়ে বিষয়টি প্রাথমিক পর্যায়ে পুলিশকে অবগত করা হয়নি। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে তরিকুলকে বেশ কয়েকবার সাবধান করা হয়। গত ২৭ জুন বড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নিয়ে তরিকুল ও তার সহযোগীরা মেয়েকে জোর করে অপহরণ করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে থানায় মামলা করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। তাই মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পেতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহযাগিতা চান তিনি।

রুহিয়া থানার ওসি চিত্ত রঞ্জন রায় জানান, মামলার পর সোনালীকে উদ্ধারের জন্য রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার পার্বতীপুর মধ্যপাড়া ও আশপাশে অভিযান চালিয়েও আসামি তরিকুলের সন্ধান পাওয়া যয়নি। তরিকুল তার পরিবার ও স্বজনদের সকলের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। এ ছাড়া সে বিভিন্ন সময়ে একাধিক মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড ব্যবহার করায় তার লোকেশন নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশ সুপার মোহা. মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। আসামি পলাতক থাকায় তাকে ধরা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এ বিষয়ে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে, খুব শিগগিরই আসামীকে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভিন্নবার্তা ডটকম/পিকেএইচ

আরো পড়ুন

মাসিক আর্কাইভ

© All rights reserved © 2021 vinnabarta.com
Customized By Design Host BD