1. jashimsarkar1980@gmail.com : admin : jashim sarkar
  2. naim@vinnabarta.com : admin_naim :
  3. admin_pial@vinnabarta.com : admin_pial :
  4. admin-1@vinnabarta.com : admin : admin
  5. admin-2@vinnabarta.com : Rumana Jaman : Rumana Jaman
  6. admin-3@vinnabarta.com : Saidul Islam : Saidul Islam
অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরে গর্ভপাত! - |ভিন্নবার্তা




অন্তঃসত্ত্বা নারীকে মারধরে গর্ভপাত!

ভিন্নবার্তা প্রতিবেদক
  • প্রকাশের সময় : শনিবার, ২৮ মে, ২০২২ ১০:০৭ pm

গাজীপুরের কালীগঞ্জে জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরে ফাতেমা বেগম (৩৫) নামে ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা এক নারীকে মারধরে গর্ভপাত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে মোহাম্মদ আলী নামে এক ব্যক্তি ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে।

বুধবার এ ঘটনা ঘটলেও শনিবার ভুক্তভোগীর স্বামী মোক্তার হোসেন বাদী হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে দীর্ঘদিন ধরে বরাইয়া গ্রামের মোক্তার হোসেনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী আজমতপুর গ্রামের মৃত জয়নাল খানের ছেলে মোহাম্মদ আলীর বিরোধ চলে আসছিল। এ সংক্রান্ত বিষয়ে থানায় একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পায়নি বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার। এরই সূত্র ধরে বুধবার সকালে মোক্তার হোসেনের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী তাদের ভোগদখলীয় জমিতে কাজ করতে যান।

এ সময় ওতপেতে থাকা মোহাম্মদ আলী খান, মেয়ে আইরিন, চাচাতো ভাই রায়হান খানসহ অজ্ঞাত ৪-৫ জন মিলে ফাতেমা বেগমের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। ফাতেমার চিৎকার শুনে পাশে থাকা ৭০ বছরের বৃদ্ধা নানি ঘটনাস্থলে গেলে তাকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে গুরুতর আহত করে। পরে তাদের ডাকচিৎকারে আশপাশের লোকজন এসে তাদের গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।

ভুক্তভোগী ফাতেমা বলেন, গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গাইনি বিভাগে ভর্তি রয়েছি। ডাক্তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানিয়েছেন আমার গর্ভের বাচ্চা মারা গেছে। আমি তাদের বিচার চাই।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডা. মুনমুন বলেন, অন্তঃসত্ত্বা ফাতেমার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোহাম্মদ আলী মারধরের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, প্রায় ৯ বছর আগে তাদের কাছে ১১ গন্ডা জমি বিক্রি করি। পুনরায় আমার জমিটি ৩৬ লাখ টাকা দামে ফেরত চাইলে আমাকে না দিয়ে অন্য লোকের কাছে বিক্রি করে দেয়।

এ বিষয়ে ওই ওয়ার্ডের মেম্বার ফারুক খান বলেন, এ বিষয়ে একাধিকবার সালিশ বসেও কোনো সমাধান করতে পারিনি।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা এসআই কামাল হোসেন জানান, অভিযোগ পেয়েছি তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কালীগঞ্জ-কাপাসিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াছমিন বলেন, বিষয়টি আমার জানা ছিল না। আপনাদের মাধ্যমে জেনেছি, তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ভিন্নবার্তা ডটকম/আর



আরো




মাসিক আর্কাইভ